আসন্ন দুর্গাপুর পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের আলোচনায় উঠে এসেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুর্গাপুর পৌর শাখার সদস্য সচিব ও দুর্গাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি আহম্মেদ রেজাউল হক স্বপন। তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা তাকেই আগামীতে দুর্গাপুর পৌরসভার মেয়র হিসেবে দেখতে চান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছাত্রদলের সভাপতি থাকাকালীন সময় থেকেই আহম্মেদ রেজাউল হক স্বপন দুর্গাপুরের সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং একাধিকবার কারা বরণ করেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনে তিনি রাজপথের সামনের সারিতে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শের সৈনিক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তৃণমূলে পরিচিত।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, স্বপন একজন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার মধ্যে নেই কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা অনিয়মের অভিযোগ। সৎ ও ক্লিন ইমেজের কারণে একজন শিক্ষিত, মার্জিত ও বিনয়ী নেতা হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে তরুণ সমাজের কাছে আইকনে পরিণত হয়েছেন। তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীরা বলেন, আহম্মেদ রেজাউল হক স্বপন ভাই দুর্দিনের কান্ডারি। তিনি কখনো পদ-পদবীর জন্য রাজনীতি করেননি, সবসময় মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে দুর্গাপুর পৌরসভা একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব পৌরসভায় রূপান্তরিত হবে। ভোটারদের প্রত্যাশা, তিনি মেয়র হলে পৌরসভার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ও নাগরিক সমস্যা গুলো সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছাত্রদলের সভাপতি থাকাকালীন সময় থেকেই আহম্মেদ রেজাউল হক স্বপন দুর্গাপুরের সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং একাধিকবার কারা বরণ করেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনে তিনি রাজপথের সামনের সারিতে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শের সৈনিক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তৃণমূলে পরিচিত।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, স্বপন একজন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার মধ্যে নেই কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা অনিয়মের অভিযোগ। সৎ ও ক্লিন ইমেজের কারণে একজন শিক্ষিত, মার্জিত ও বিনয়ী নেতা হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে তরুণ সমাজের কাছে আইকনে পরিণত হয়েছেন। তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীরা বলেন, আহম্মেদ রেজাউল হক স্বপন ভাই দুর্দিনের কান্ডারি। তিনি কখনো পদ-পদবীর জন্য রাজনীতি করেননি, সবসময় মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে দুর্গাপুর পৌরসভা একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব পৌরসভায় রূপান্তরিত হবে। ভোটারদের প্রত্যাশা, তিনি মেয়র হলে পৌরসভার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ও নাগরিক সমস্যা গুলো সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
প্রতিনিধি :